All for Joomla All for Webmasters
4.8 C
New York
Monday, January 27, 2020

Daily Archives: January 12, 2020

ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, দেশজুড়ে ঘন কুয়াশা

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামীকাল রবিবার থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। আজ শনিবার মধ্যরাত থেকে পরদিন দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা পড়বে। ঘন কুয়াশায় বিশেষ...

বিএনপি ডিজিটাল ব্যবস্থা চায় না তাই বিষোদগার করছে: সেতুমন্ত্রী

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি বিশ্ব স্বীকৃত কিন্তু বিএনপি ওই আধুনিক ব্যবস্থা চায় না। তাই ডিজিটাল পদ্ধতির বিরুদ্ধে বিষোদগার করে চলেছেন ওই দলের নেতারা। শনিবার...

রাতে তাপমাত্রা কমবে, দিনে বাড়বে

সামনের কয়েকদিন রাতের তাপমাত্রা কমতে থাকবে। আর দিনের ঝকঝকে আকাশে ছড়াবে রোদ্র ও সেই সাথে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। আগামী এক সপ্তাহে আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকবে। কোনো কোনো সময় দিনের তাপমাত্রা বেশ বৃদ্ধি পেতে পারে। শনিবার আবহাওয়া দফতর এমনই পুর্বাভাস দিয়েছে। পুর্বাভাসে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রবিবার থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, শনিবার সকালে ঈশ্বরদীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ সময়ে ঢাকায় ছিল ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তিনি আরও বলেন, জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে। ফলে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে সামনের পথচারী ও বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় না ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। এমতাবস্থায়, মহাসড়কে চলাচলরত যানবাহনের চালকদের কুয়াশাচ্ছন্ন রাস্তায় ফগলাইট ব্যবহার ও গতিসীমা সীমিত রেখে অধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানান, চলতি মাস ধরে শীত অনুভূত হবে। মাঝে মাঝে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। যেহেতু শনিবার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সামান্য উপরে। এই কারণে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা যাবে না। ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। ৬ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা নেমে আসলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে । শীতের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, উপ-মহাদেশীয় উচ্চ চাপ বলয় বেশ কিছুদিন ভারতের বিহারের বাইরে অবস্থান করার পর শনিবার থেকে তা আবারো পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এই প্রক্রিয়াটি খুবই ঠাণ্ডা বাতাস বয়ে নিয়ে আসে। এ কারণে সকালের দিকে বেশ ঠাণ্ডা পড়তে পারে। দিনের বেলা তাপমাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে আসতে পারে।

ভিসিরা দুর্নীতিতে জড়ালে অবস্থা কী হবে ভেবে দেখবেন শিক্ষকদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, উপাচার্যরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনাদেরকে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে। আপনারা (ভিসিরা) নিজেরাই যদি...

ভুয়া সঞ্চয়পত্র দেখিয়ে সাড়ে ৮ কোটি টাকা ঋণ নেন তারা

ভুয়া সঞ্চয়পত্র জমা দিয়ে দুটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি)। ওই দম্পতির নাম এইচ এম এ বারিক ওরফে বাদল ওরফে বাদল হাওলাদার ওরফে মোস্তাক আহমেদ এবং তার স্ত্রী মরশিদা আফরীন। সিআইডির দাবি, একটি চক্র তৈরি করে তারা ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তারা ভুয়া সঞ্চয়পত্র জমা দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করতো। তারা প্রতারণার টাকায় রাজধানীর অভিযাত এলাকা গুলশান, উত্তরাসহ রাজধানীর বিভিন্নস্থানে বাড়ি, গাড়ি, জমি ও ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। বর্তমানে তাদের রয়েছে শত শত কোটি টাকার সম্পদ। ১৬ বছর আগে দায়েরকৃত একটি মামলার পর এ দম্পতি পালিয়ে ছিল। অবশেষে গত শুক্রবার খুলনার খালিশপুর এলাকা থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) টিম তাদের গ্রেফতার করে। শনিবার সিআইডির সদর দফতরে সিআইডির ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াডের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। সিআইডি জানায়, এ চক্রটির মূলহোতা একজন শিল্পপতি। তার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যবসা ছিল। ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাৎ করে সে ব্যবসা করে শিল্পপতি হয়েছে। তার পরিচয় পেয়েছে সিআইডি। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই শিল্পপতির নাম গোপন রেখেছে সিআইডি। শিগগিরই তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে সিআইডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে সিআইডি কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন, ২০০৪ সাল থেকে এই প্রতারক চক্র ২১টি ভুয়া সঞ্চয়পত্র তৈরি করে এর বিপরীতে এবি ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে আট কোটি ৬৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে সেই টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে এবি ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখার তৎকালীন ম্যানেজার জড়িত ছিল। তিনি আরো বলেন, জালিয়াতি করে এই দম্পতি ঢাকায় একাধিক বাড়ি ও অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছে। এই দম্পতির ব্যাংক হিসাবে জালিয়াতি করে উপার্জিত দুই কোটি টাকার সন্ধান পেয়েছে সিআইযি। এছাড়াও তাদের নামে গুলশান-২ এ প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের একটি ৯ তলা বাড়ি, উত্তরায় শত কোটি টাকার মূল্যের ১টি ৬ তলা বাড়ি, উত্তরখান এলাকায় কোটি টাকা মূল্যের একটি দুই তলা বাড়ি, এছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, গাড়ি ও জমির তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি জানান, ২০০৪ সালে এবি ব্যাংক থেকে এভাবে জালিয়াতি অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় একটি মামলা করা হয়। তবে তখন থেকে পালিয়ে ছিলেন মোস্তাক হাওলাদার। তখন ওই মামলায় তার সাজাও হয়েছে। এরপর থেকে সে পলাতক। গত ১৬ বছরে সে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ভারতে পালিয়ে ছিল। ২০১১ সালে গোপনে দেশে এসে আবার জালিয়াতি শুরু করে। ১৬ বছর ধরে পলাতক মোস্তাককে খুঁজছিল পুলিশ। তিনি আরও জানান, ওই মামলায় এবি ব্যাংকের ধানমন্ডি ব্রাঞ্চের তৎকালীন ম্যানেজার আসিরুল হককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০০৬ সালে তিনমাস কারাভোগ করেন তিনি। পরবর্তীতে সে জামিনে মুক্ত হলে হৃদরোগে মারা যান। তবে এর সঙ্গে ব্যাংকের আর কোনো কর্মকর্তা জড়িত আছে কি না? তা তদন্ত করে দেখছে সিআইডি। ব্যাংক থেকে ভুয়া সঞ্চয়পত্র দিয়ে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের এই ঘটনায় দুদক ২০০৪, ২০১১ ও ২০১৬ সালে ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডি, উত্তরা পশ্চিম ও মোহাম্মদপুর থানায় সাতটি মামলা দায়ের করে। মামলাগুলো সিআইডি তদন্ত করছে বলে জানান তিনি।
Free WordPress Themes, Free Android Games