বৃহস্পতিবার , ২৪ আগস্ট ২০১৭ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. Featured
  2. অন্যান্য খেলার সংবাদ
  3. অন্যান্য ধর্ম
  4. অপরাদ
  5. অর্থনীতি
  6. অলটাইম নিউজ লেটার
  7. আইটি টেক
  8. আইন – আদালত
  9. আইন শৃংখলা বাহিনী
  10. আন্তর্জাতিক
  11. আবহাওয়া বার্তা
  12. ইসলাম
  13. উদ্যোগ এবং পরিবর্তন
  14. ওয়েবসাইট
  15. কবিতা

আধুনিকতার স্পর্শে বিলুপ্তির পথে লাঙ্গল দিয়ে হাল চাষ!

প্রতিবেদক
Alltime BD News24 .com
আগস্ট ২৪, ২০১৭ ১:৩২ পূর্বাহ্ণ

মোঃ ফেরদাউছ সিকদারঃ

আজ আধুনিকতার স্পর্শে ও বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে আমাদের জীবনেও এসেছে নানা পরিবর্তন। আর সেই পরিবর্তনের ছোঁয়াও লেগেছে কৃষিতে। লেগেছে কৃষকের জীবনে।তাই তো কৃষি আন্দোলনের ছোঁয়ায় দেখে যায় বেশ পরিবর্তন। তাই আর সকালবেলা (বর্ষা মৌসুমে) পাকা কাঁঠাল দিয়ে- পান্তা খেয়ে কাধে নাঙ্গল-জোয়াল আর জোড়া গরুর দড়ি হাতে মাঠে আর যেতে দেখা যায়না কৃষকদের।

কৃষি প্রধান বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে লাঙ্গল-জোয়াল। চিরায়ত বাংলার রূপের সন্ধান করতে গেলে এই দুই কৃষি উপকরণের কথা যেমন অবশ্যই আসবে, তেমনি আসবে হালের গরুর কথাও। আধুনিকতার সঙ্গে সঙ্গে হাল চাষের পরিবর্তনে এখন ট্রাক্টর অথবা পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষ করা হয়।

এক সময় দেশের বিভিন্ন জেলার উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে কৃষক গরু পালন করতো হাল চাষ করার জন্য। আবার কিছু মানুষ গবাদিপশু দিয়ে হাল চাষকে পেশা হিসেবেও নিত। আবার অনেকে তিল, শরিসা, কলই, আলু চাষের জন্য ব্যবহার করতেন।

নিজের সামান্য জমির পাশাপাশি অন্যের জমিতে হাল চাষ করে তাদের সংসারের ব্যয়ভার বহন করত। হালের গরু দিয়ে দরিদ্র মানুষ জমি চাষ করে ফিরে পেত তাদের পরিবারের সচ্ছলতা। আগে দেখা যেত কাকডাকা ভোরে কৃষক গরু, লাঙ্গল, জোয়াল নিয়ে মাঠে বেরিয়ে পড়তো। এখন আর চোখে পড়ে না গরুর লাঙ্গল দিয়ে চাষাবাদ। জমি চাষের প্রয়োজন হলেই অল্প সময়ের মধ্যেই পাওয়ার টিলারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে চলাচ্ছে চাষাবাদ। তাই কৃষকরা এখন পেশা বদলি করে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। ফলে দিন দিন কমে যাচ্ছে গরু দিয়ে হাল চাষ।

কৃষক নুরুল হাওলাদার (৬০) বলেন, ছোটবেলায় হাল চাষের কাজ করতাম। বাড়িতে হাল চাষের বলদ গরু ছিল ২-৩ জোড়া থাকত। চাষের জন্য দরকার হতো ১ জোড়া বলদ, কাঠ লোহার তৈরি লাঙ্গল, জোয়াল, মই, লরি (বাঁশের তৈরি গরু তাড়ানোর লাঠি), গরুর মুখে টোনা ইত্যাদি। আগে গরু দিয়ে হাল চাষ করলে জমিতে ঘাস কম হতো। অনেক সময় গরুর গোবর জমিতে পড়ত, এতে করে জমিতে অনেক জৈব সার হতো ক্ষেতে ফলন ভালো হতো।

এখন নতুন নতুন মেশিন অ্যাইছে, মেশিন দিয়ে এখানকার লোকজন চাষাবাদ করে। মোগো তো ট্যাকা নাই মেশিন কিনে জমি চাষ করার, তাই এহন সংসার চালাইতে অনেক কষ্ট হইতেছে।

কৃষক নুরুল হাওলাদার আরো জানান, গরুর লাঙ্গল দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪৪ শতাংশ জমি চাষ করা সম্ভব। আধুনিক যন্ত্রপাতির থেকে গরুর লাঙ্গলের চাষ গভীর হয়। জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি ও ফসলের চাষাবাদ করতে সার কীটনাশক সাশ্রয় পায়।

কষ্ট হলেও গরু দিয়ে হাল চাষ করতে খুব ভাল লাগত। এখন মনে পড়লেই কষ্ট হচ্ছে। ফিরে পাবনা আর সেই পুরনো দিনগুলো। এভাবেই ধিরে ধিরে হারিয়ে যাবে আমাদের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য।

(Visited ৮৩ times, ১ visits today)

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

বরিশাল পলিটেকনিকের ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ও সম্পাদককে বেদম পেটালেন ছাত্রলীগ!

প্রধানমন্ত্রীর হাতে আন্তর্জাতিক তিন পুরস্কার

নতুন মন্ত্রিসভায় বরিশালের নেতাদের মধ্যে আলোচনায় যারা

বরিশালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

ডিনামাইট দিয়ে ভাঙ্গা হবে বিজিএমইএ ভবন

শহীদ বুদ্ধিজীবী দায়িত্বরত আসল মানুষ, হত্যা চক্রান্তের যে মানুষ

প্রেমিকার মৃত্যুর পর মাকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালাল বরিশালের মাহিবি!

দক্ষিণাঞ্চলকে মাদকমুক্ত করা হবে–র‌্যাব প্রধান বেনজীর আহম্মেদ

বরিশাল জেলার আসন্ন ৫০টি ইউনিয়নের নৌকা প্রতীক প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়ন ফরম প্রদান

দস্যুমুক্ত সুন্দরবনে স্বপ্ন জাগানিয়া “সুন্দরবনের হাসি” প্রকল্প