বরিশালে প্রাণি সম্পদ দপ্তর মুজিব বর্ষে প্রকল্প বাস্তবায়ন লক্ষ মাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা

0
49

Sharing is caring!

- Advertisement -

শামীম আহমেদ ॥ বরিশাল জেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর জনবল সংকট থাকা সত্বেও কাজ করতে গিয়ে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষে বছর জুড়ে বরিশাল জেলার ১০ উপজেলার ৭ শত ৭৮টি খামারের গাভি, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হাঁস, মুরগি, কবুতর, টারকি ও কোয়েল পাখির ফার্মগুলোতে নিরাপদ মাংস,দুধ,ডিম উৎপাদনের লক্ষ মাত্রা অর্জনের জন্য বিনা মূল্যে খামারীদের পরামর্শ পশু প্রাণিদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য ভেটেনারী চিকিৎসকের অভাবে মাঠ প্রর্যায়ে কর্মকর্তাদের কাজ করতে গিয়ে দারুনভাবে বেগ পোহাতে হচ্ছে।

 

অন্যদিকে বরিশাল জেলার প্রাণি সম্পদ দপ্তর দ্রুত সময়ের মধ্যে জনবল সংকট পুরন করা না হলে মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে জেলায় একটি মডেল প্রাণী সম্পদ গ্রাম করার পরিকল্পনার মাধ্যমে নিরাপদ মাংস,ডিম, ও দুধ উৎপাদনের যে কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে তা বাস্তবায়ন লক্ষ মাত্রা অর্জন নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

প্রাণি সম্পদ দপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য মতে ২০১৮-১৯ সালে জনবল সংকটের মাঝেও তারা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় তৃনমুল গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ৪৭টি গাভি ও মহিষ,৪ শত৯৮টি ছাগল,২৫টি ভেড়া, ১শত ২৬ টি হাঁস,৯শত ৬৯ বয়লার,৪শত ২১টি লেয়ার, ১শত ৬২ টি সোনালী,১শত ৭৬ টি কবুতর,২৮ টি কোয়েল ও ৫৬ টি টারকি মোরগের বে-সরকারী খামার রয়েছে।

 

যেখানে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত জেলার নদী মাত্তিক পথ সহ গ্রাম-গঞ্জের মেঠোপথ ভেঙ্গে সে সকল খামার পরিদর্শন করার এবং তাদের খামারের পশু প্রাণীদের চিকিৎসা সহ সকল ঔষদ সরবরাহ ও সেবা দিয়ে যাচ্ছে প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তারা।

 

জনবল সংকট থাকা সত্বেও প্রাণি সম্পদ বিভাগ গত বছরে খামারীদের সেবা দেয়ার মাধ্যমে ১ লক্ষ ৭০ হাজার মেট্রিক টন দুধ উৎপাদনের লক্ষমাত্রার স্থানে ১ লক্ষ ৬২ হাজার ২শত ২৬ মেট্রিক টন দুধ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে।

 

এসময়ে তারা ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ১ শ’ মেট্রিক টন মাংস লক্ষমাত্রার উৎপাদনের স্থলে উৎপাদন হয়েছে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩শত ৮২ মেট্রিক টন।

 

অন্যদিকে ২৫ কোটি ৫০ লক্ষ উৎপাদনের টার্গেটের স্থানে পাওয়া গেছে ২৪ কোটি ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার ১শত ৭৪টি ডিম উৎপাদন অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

 

এব্যাপারে বরিশাল জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ড.নুরুল আলম বলেন, বরিশাল জেলার ১০ উপজেলায় এক জন করে প্রতিটি উপজেলায় ভেটেনারী চিকিৎসক থাকার পদ রয়েছে সেখানে আমাদের ৪ জন ভেটেনারী চিকিৎসক দিয়ে ১০ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জের খামারীদের সেবা দিতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে কাজের গতি হারিয়ে ফেলছে ভেটেনারী চিকিৎসকরা।

 

এছাড়া জেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তরের ১শত ১০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর স্থলে মাত্র ৬৫ জন কর্মকতা-কর্মচারী নিয়ে এ দপ্তরের কাজ করতে হচ্ছে।

 

জেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তরে শণ্যপদ পুরন করা না হলে আমাদের মুজিব বর্ষে যে টার্গেট রয়েছে তা পুরন করতে কতটুকু সক্ষম হব তা এখন ভাবনা বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে।

 

আমার এখন জনবল সংকট রেখেই সকলকে সাথে নিয়ে দিন-রাত অতিরিক্ত সময় ব্যয় কাজ করতে হচ্ছে।

(Visited 1 times, 1 visits today)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here